Saturday, April 20, 2024
ক্রিকেটখেলা

মেসিকে ছাড়া খেলার অভ্যাস করতে চায় আর্জেন্টিনা

সর্বকালের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে দীর্ঘ ৩৬ বছরের শিরোপা খরা কাটায় আর্জেন্টিনা। আর এই বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়েক হলেন লিওনেল মেসি। এই কথা স্বীকার করতে কারো কোনো দ্বিমত থাকবে না। কেননা এক রকম একাই দলকে শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি। তবে বর্তমানে তার ইনজুরি প্রবণতা বাড়তে শুরু করেছে। কেননা তার বয়স হচ্ছে। তিনি হয়তো আর বেশিদিন খেলতে পারবেন না। তাইতো এখনি সময় আর্জেন্টিনার মেসিকে ছাড়া খেলার অভ্যাস করার। এমনটাই মনে করেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

আবারও দীর্ঘ দিন পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফিরছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই বিতর্কিত ম্যাচের এইবারি প্রথম মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। আগামীকাল ২৩ মার্চ শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬:৩০ মিনিটে এল সালভাদরের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। আর এই ম্যাচকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

আগামীকালকের ম্যাচে আর্জেন্টিনার নিয়মিত অধিনায়ক লিওনেল মেসি থাকবেন না। তার ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। তার বিকল্প হিসেবে কাকে নামানো হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে স্কালোনি বলেন, ‘মেসির কোনো বিকল্প হয় না। আমরা জানি তিনি অনন্য। আমরা এই ম্যাচে তাকে পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। তাকে ছাড়াই এখন আমাদের খেলতে হবে। আগেও খেলেছি এবং ভালো করেছি। এই সুযোগ মেসিকে ছাড়াই খেলার অভ্যাস করার।’

আরও পড়ুন:
তামিমের চাঞ্চল্যকর ফোন রেকর্ড ফাঁস
ফোন রেকর্ড ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন তামিম
খেলে আর লাভ কি কম্পিউটারই বলে দিচ্ছে কে হবে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন

তাকে আরও প্রশ্ন করা হয় আপনার ভবিষ্যৎ কি। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এমন প্রশ্নের উত্তরে স্কালোনি বলেন, ‘আমি যা বলেছিলাম তা ছিল আমার চিন্তাভাবনা, বিবেচনার বিষয়। কঠিন একটি বছর কাটানোর ফলেই ওই ভাবনা এসেছিল। বিশ্বকাপ জয়ের পর কঠিন একটি বছর ছিল। কেবল ফুটবলের জন্যই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও সময়টা ছিল নতুন করে ভেবে দেখার। আমরা কী করতে চাই, তা জানার এবং ভাবার সময় ছিল ওটা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে আসছিল এবং আমাদের আরও দৃঢ় হতে হতো। ওই মুহূর্তে আমি এটাই বলেছিলাম।’

অলনিউজবিডি২৪ এর খবর পেতে ফলো করুন আমাদের গুগল নিউজ চ্যানেল।

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ভাবার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার দরকার ছিল। আমরা (কোচিং স্টাফ) কখনোই বলিনি যে, দায়িত্ব চালিয়ে যাব না, তবে নতুন পরিকল্পনায় কৌশল সাজাতে হতো…স্থবিরতা যেন না আসে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়াটাই মূল বিষয়। সেটা নিয়েই আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। আমার মনে হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা দরকার।’ পরিবারও এখানে বড় একটা ব্যাপার ছিল, বললেন স্কালোনি, ‘সবকিছু নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রত্যেকে তাদের মতামত দিয়েছে। একজন ফুটবলারের জীবন মানেই পরিবার থেকে দূরে থাকা…তবে লক্ষ্য সবসময় একই থাকে, জাতীয় দলের জন্য সেরাটা করার চেষ্টা করা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *