২ দিন পর কেন আনিছুল হকের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশিত হল?

মোট দেখেছে : 1,181
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

নিজস্ব প্রতিবেদন:লন্ডনে চিকিৎসাধীন মেয়র আনিসুল হককে ডাক্তাররা ‘ক্লিনিকালি ডেড’ বলে ঘোষণা করেছেন গত পরশু মঙ্গলবার ।

স্বজনদেরকে বলে দিয়েছেন, কোমা থেকে তার ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। এমতাবস্থায় স্বজনরা চাইলে আরো কিছুদিন কোমায় রাখতে পারেন।এই ধরনের পরিস্থিতিই মৃত্যু। এর পর পরেই তার স্বজনরা ঢাকা ছেড়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।খবরটি যথারীতি ঢাকার মিডিয়া হাউসগুলোতেও চলে আসে ।অলনিউজবিডি২৪ডটকম সর্বপ্রথম মেয়র আনিছুল হকের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।কিন্তু তার পারিবারিক আদেশে সংবাদটা মুছে ফেলা হয়।তারপর দুই একটা টিভি চ্যানেল ব্রেকিং নিউজও প্রচার করে।বাকীরা প্রচারের প্রস্তুতি নিতে থাকে । না, তা প্রচার করা হলো না।বাংলাদেশ এখন নিউজ প্রচার করতে উপর মহলের ‘অনুমতি’ দরকার হয়। মৃত্যু ব্যক্তি সরকারের প্রভাবশালী হলে তো কথাই নাই ।গত ৪৮ ঘণ্টা মিডিয়া হাউস গুলোর সাংবাদিকরা খবরটি প্রচার করছেন না বা প্রচার করতে পারছেন না।প্রিয় পাঠক, বলার অপেক্ষা রাখেন আনিছুল হকের নিউজটা ।আমরা বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে প্রথম প্রচার করি।এর জন্য আমাদের নানা ঝামেলা পোহাতে হয় । যদিও শতভাগ নিশ্চিত হয়েই প্রচার করি। তার পরেও আমাদের ‘ভুয়া’,‘গুজব সৃষ্টিকারী’, ‘অমুকের দালাল’ বলে প্রচার করা হয় । ওদিকে এমন মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিচ্ছিলো কিছু শাহবাগী আওয়ামী দলদাস সাংবাদিক।আজকে বিকেল থেকেই একটা আবহ তৈরি করা হয় । এবং কিছু সাংবাদিক নামের দলদাস তাদের ফেসবুকে আনিসুলের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার কথা জানাচ্ছে।অথচ তারা সবাই জানেন আনিসুল মারা গেছেন। তখনই বুঝার আর বাকি থাকে না, আজকেই তার মৃত্যুর খবরটা ঘোষণা করা হবে। হয়েছেও তাই ।সরাসরি সেটা না বলে ইনিয়ে বিনিয়ে বলছেন যে, আনিসুল আর নেই।মোদ্দা কথা বাংলাদেশের মিডিয়ার স্বাধীনতা আসলে কোথা গিয়ে ঠেকেছে যে একটি সত্য খবর প্রচার করতে ৪৮ ঘণ্টা সময় নিতে হয় !