মরক্কোর সঙ্গে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তিতে মন্ত্রিসভার অনুসমর্থন

মরক্কোর সঙ্গে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তিতে মন্ত্রিসভার অনুসমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বৈত করারোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দ্বৈত করারোপ পরিহারে বিষয়টি নিয়ে আসা হয়েছে এ জন্য যে, দুই জায়গায় ট্যাক্স দিতে হতো। চুক্তির ফলে দুই জায়গায় বা দুই দেশে ট্যাক্স দিতে হবে না।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ব্যবসার মুনাফা, বিমান ও জাহাজে পণ্য পরিবহন, লভ্যাংশ, রয়েলিটি, মূলধনী মুনাফা, তথ্য বিনিময়, দ্বৈত করারোপ পরিহার— এসব বিষয় এই চুক্তির মধ্যে ছিল। যদি কোনো কোম্পানি দুই জায়গায় রেজিস্টার্ড থাকে, তবে চুক্তি অনুযায়ী এক জায়গায়ই ট্যাক্স দিতে হবে। এখন যেখাকেই ট্যাক্স দেয়া হোক রিপোর্টটি অন্য দেশের কাছে চলে যাবে।’

‘ব্যাংকার বহি সাক্ষ্য আইন, ২০২১’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ সংক্রান্ত ১৯৯১ সালের একটি আইন ছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন করে আইন করতে খসড়া নিয়ে আসা হয়। ব্যাংকের যেসব বই যেমন- লেজার বুক, ক্যাশ বুক এগুলোকে সাক্ষ্য বই বলা হয়।’

তিনি বলেন, ‘নতুন আইনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যেসব রেকর্ড হবে সেগুলোও সাক্ষ্য বহি আইন বলে বিবেচিত হবে। ব্যাংকগুলোর লেজার বুক, ক্যাশ বুক, লোন ডিসপার্জ বুক যা আছে সবই অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।’

এছাড়া সন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০২০ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) প্রতিবেদন মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।