বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ছিল বন্ধুত্বের : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ছিল বন্ধুত্বের : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়”। এমন নীতির কারণেই বাংলাদেশ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের স্বীকৃতি অর্জন করতে পেরেছিল। বঙ্গবন্ধুর এই নীতি, তার যাদুকরী ক্ষমতা এবং ব্যক্তিত্বের কারণে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের ১৩৬টি দেশের মধ্যে ১২৬টি দেশই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে ‘ফ্রেন্ডশিপ টু অল, মেলিস টাওয়ার্ডস নান’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রদর্শনীটি ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার প্রধান হিসাবে বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই অল্প সময়ে রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে তিনি নিজের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দিক নির্দেশনার স্বাক্ষর রাখেন। নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা এবং বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন দিয়ে গিয়েছিলেন “সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়”।’

মেয়র আতিকুল আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ফোরামে বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপ, শান্তিকেন্দ্রিক এবং টেকসই উন্নয়নকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি অব্যাহত রেখেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। তার গতিশীল নেতৃত্বে পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল এবং কর্ণফুলী টানেলের মতো বৃহৎ অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ অচিরেই উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইজাহার খান ও অপরাজিতা হক, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান সিটি, ডেনমার্ক, কসোভো, মরক্কোর রাষ্ট্রদূতরা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন, এডিটরস গিল্ডের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, ডিএনসিসির কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।