নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। এতে করে তিস্তা নদীবেষ্টিত বিভিন্ন চরাঞ্চলের পাঁচ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রাত ৯টার মধ্যে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ জুলাই) বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার এবং বুধবার (৭ জুলাই) ৩০ সেন্টিমিটার নিচে তিস্তা নদীর পানি।

বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে গত ৪ জুলাই তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে করে তিস্তাবেষ্টিত গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। পরদিন থেকে পানি কমতে থাকলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। বিকেল থেকে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এতে করে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহের স্বর ও পূর্ব ছাতনাই গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।


টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে তিস্তার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউনিয়নের প্রায় ৬০০ পরিবার এরই মধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উজানে ভারী বৃষ্টির কারনে তিস্তা নদীর পানি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাত ৯টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ডাউয়াবাড়ি নামক স্থানে তিস্তা ডানতীর বাঁধে তিস্তার পানি আঘাত হানছে। সেখানে বালির বস্তা ফেলানো হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।